যে শহর হারিয়ে গেছে কালের বিবর্তন পানাম নগরী

যে শহর হারিয়ে গেছে কালের বিবর্তন পানাম নগরী


পানাম নগরীতে ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলো । 
ইতিহাস এই হারিয়ে যাওয়া নগরীটির শাখা যেখানে বাংলার প্রথম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন সেই নগরীর ধ্বংসাবশেষ এখনো রয়ে গেছে রয়েছে বেশ কিছু পুরাতন বাড়িঘর চলুন ঘুরে আসি ।
ঘড়িতে তখন তার মত প্রথমে এখান থেকে বাসে করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে যেতে হবে এরপর সেখান থেকে সিএনজি চালিত অটো নিয়ে যেতে হবে গন্তব্যে আধা ঘণ্টা পরপর বেশ কয়েকটি কোম্পানির থেকে 70 টাকা পরিবহনের ভাড়া গুনতে হবে মাত্র 40 টাক।
স্বদেশ পরিবহনের একটি নন এসি বাসের টিকিট কেটে তাতে উঠে পড়লাম প্রায় 10 মিনিটের মধ্যেই যাত্রী দিয়ে পূর্ণ হয়ে গেল এরপর শুরু হলো ইতিহাসের এক প্রাচীন নগরীর অভিমুখে যাত্রা ।
উঁচু ভবন থেকে শুরু করে বস্তিঘর সবই দেখতে থাকলাম।
ফাইলগুলো ঢাকার যানজট কমাতে যেমন সহায়ক হয়েছে তেমনই ভ্রমণেও এনেছে ভিন্নমাত্রা।
বাংলাদেশ ঢাকা থেকে সদরঘাট পর্যন্ত মাত্র 30 কিলোমিটার সেই হিসেবে 40 টাকা ভাড়া থেকে সোনারগাঁও আপনারা ইচ্ছা করলে কুমিল্লা চট্টগ্রাম অভিমুখে যেকোনো বাসে চেপে চলে আসতে পারেন মোগরাপাড়া পর্যন্ত ।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় ফ্লাইওভার থেকে নামার পর নারায়নগঞ্জের সাইনবোর্ড মোড় পেরিয়ে ছুটতে থাকলো  বাস
কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়তি উঠে পড়ল কাজ করেছে এই ব্রিজের উপর দিয়ে চলার সময় দেখতে পাবেন শীতলক্ষ্যা নদীর সৌন্দর্য দেখতে পাবেন অজস্র পণ্যবাহী জাহা
যেহেতু লোকাল রাস্তায় যেতে যেতে বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়াচ্ছে যাত্রী নিচ্ছে আর চলছে সর্বদাই বিরক্তি লাগবেনা ততটা ।
ঢাবির সেই আমন্ত্রণে অনেক খুশি হয়েছিলেন কিন্তু সে সময় তার বয়স অনেক বেড়ে যাওয়ায় এখানে তিনি আসতে পারেননি তবে অনেক খুশি হয়ে তিনি একটি কবিতা লিখেছিলেন এই পানাম নগরী নিয়েছি সেই কবিতাটি পাঠিয়ে দিয়েছিলেন সুলতানের কাছে পরবর্তীতে সেই কবিতা পড়ার পর পাশের একজন পর্যটক এখানে এসেছিলেন এবং এই নগরীর সৌন্দর্য দেখে তারা বিস্মিত হয়েছিলেন ।
টিকে থাকা বাড়ি গুলোর মধ্যে বাড়ি উল্লেখযোগ্য পত্রিকা দক্ষিণ পাশে বাড়ি রয়েছে সেগুলোর অধিকাংশই ভারাদকার উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত আলোচনা থেকেই তিনতলা স্থাপত্য স্থাপত্য নিদর্শন বিদ্যমান। 
উপযোগিতা কারুকাজ রঙের ব্যবহার এবং নির্মাণশৈলীর দিক থেকে প্রবণতায় ভরপুর।
ব্যবহার করা হয়েছে ঢালাই লোহার জানালার গ্রিল মেঝেতে রয়েছে লাল সাদা কালো মোজাইকের কারুকাজ ।
প্রতিটি পরেই অন্তর্গত বহির্ব্বাটীর দুই ভাগে বিভক্ত বেশিরভাগ বারিসিদ্দিকের ঘেরাটোপের ভিতরে আছে উন্মুক্ত উঠানোর পরিকল্পনা ও সরবরাহের জন্য পাঁচটি পুকুর আছে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই আছে জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখতে এর থেকে ভালো করে রাখা হয়েছে ।এই একমাত্র রাস্তা জয়নগরের মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে এপাশ-ওপাশ ।
মন্দির গির্জা মোট গোসলখানা নাথ খবর পান্থশালা চিত্রশালা দরবার কক্ষ মুক্তপদ বিচারালয় পুরনো জাদুঘরসহ আরো কত কি ।
সৃষ্টির ইতিহাস তো জানলেন এখন তবে জেনে নিন ধ্বংসের ইতিহাস 965 সালের ভারত-পাকিস্তান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় হিন্দু ব্যবসায়ীদের জীবনী স্বাভাবিকভাবেই লক্ষ্যবস্তু দরজা-জানালা পর্যন্ত লুটে নিয়ে যায়।
ভারতে পাড়ি জমালেন জনমানবহীন হয়ে পড়ে তারপর থেকে আর জেগে ওঠেনি পানা করার জন্য অনুমতি দেয়া হয় 10 থেকে 15 বছরের জন্য ইজারা দেয়া হয় এবং পরে তা নবায়ন করা হয় ।
তাদের অবর্তমানে বাড়িগুলো অযত্নে-অবহেলায় হয়েছে তাকে নিয়ে বিস্তর লেখালেখি শুরু হলে 2004 সাল থেকে বাতিল করে দেয়া হয়।




Post a Comment

Previous Post Next Post