গোপাল ভাঁড়ের ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদ


গোপাল ভাঁড়ের ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদ

মুর্শিদাবাদ পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস জড়িয়ে আছে মুর্শিদাবাদের মুর্শিদাবাদের নবাবের আদব-কায়দা থেকে জিনিসপত্র তাদের মহল তাদের উত্থানের ইতিহাস পতনের ইতিহাস জেনে নেওয়া যাক ।

কলকাতা থেকে রাত 11:30 লালগোলা প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধরে চারটে দশে মুর্শিদাবাদ স্টেশনে নামলাম স্টেশনে হোটেলে পৌঁছে দিনের আলো ফুটতেই বেরিয়ে পড়লাম মুর্শিদাবাদ ভ্রমণের উদ্দেশ্যে মুর্শিদাবাদ ভ্রমণের জন্য প্রধানত দুটি অপশন আছে একটি টোটো গাড়ি আর অন্যটি ঘোড়ায় টানা গাড়ি আমি চললাম পরে এখন এটা যাচ্ছি বাবা স্টেশন রোডের ওপর থেকে স্টেশন থেকে হাজার দুয়ারী প্যালেস পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার দু'পাশে প্রচুর হোটেল আছে শহরের প্রবেশদ্বার হিসেবে কি ব্যবহার করা হয় দর্শনীয় স্থান জাহানকোষা কামান সেই দিকেই যাচ্ছে দেখতে পাচ্ছেন স্টেশন রোডের দুই পাশে অনেক হোটেল আছে এখানে থাকতেই পারেন আবার ইমামবাড়ার পেছন দিকটায় ভাগীরথী নদীর পাশে অনেক হোটেল আছে সেখানেও থাকতে পারেন জাহানকোষা কামান বিখ্যাত বাঙালি কর্মকার জনার্দন 2019 সালে তৈরি করেছিলেন মোগল সম্রাটের রাজত্বকালে বাংলার সুবাদার ইসলাম খান এবং ওজন প্রয়োজন হতো সোনারূপো তামা দস্তা লোহা এবং পারদ অষ্ট ধাতু দিয়ে তৈরি করা হয় বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল যেমন গান কামান হয়ে পৌছালাম কাটরা মসজিদ মসজিদ যেটা কিনা নবাব মুর্শিদকুলি খানের সমাধি এবং সেই সময়ের অন্যতম ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ হিসেবে বিখ্যাত ছিল এবং এগুলোকে বলা হতো মুসাফিরখানা এখানে কোরআন পাঠ ব্যবস্থা ছিল এই মসজিদে আঙ্গুলগুলো দিয়ে সর্বদা সিপাহী পাহারায় থাকতো একে বাইরের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য এবং ইউএসটিআরের জায়গাগুলিতে আলোচনার ব্যবস্থা করা হতে সন্ধ্যে থেকে আসুন আমাদের সাথে আপনারও চলুন অনেক অজানা তথ্য জানার উদ্দেশ্যে ।কটার দিকে অনেক সুরঙ্গ আছে আগে এগুলো নবাবদের গুপ্ত রাস্তা হিসেবে ব্যবহৃত হতো বর্তমানে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া এটার দায়িত্ব নেওয়ার পর গুপ্ত রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে চোর ডাকাতের উপদ্রব না হয়। হাজার জন এখানে বসে কোরআন পাঠ করতে পারত। ভেতরের দৃশ্য অসাধারণ ভূমিকম্পে মসজিদের ভেতরের অনেকখানি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যেটুকু আছে তাতেই মন ভরে যায় । মসজিদের পিছনে থেকে প্রবেশ করেছি অর্থাৎ বর্তমান ঢুকার রাস্তাটা ঠিক সেভাবেই তৈরী এবার যাব সামনের দিকে যেখানে নবাব মুর্শিদকুলি খানের সমাধি । আর পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য তার সমাধি তৈরি করেছিলেন এবং সেটা এমন জায়গায় তৈরি করিয়েছিলেন যেটাতে তার সমাধির উপর থেকে লোকজন হেটে যায় অর্থাৎ তার বুকের উপর এসে পড়ে।

Post a Comment

Previous Post Next Post