চট্টগ্রাম এর হালদা নদীর ডলফিন রক্ষার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট ।

এ বিষয় এ কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা ৭২ ঘন্টার মধ্যে ইমেইল এর মাধ্যোমে জানাতে বলা  হইয়েছে।

জনস্বর্থে করা রিট আবেদন নিয়ে প্রথম ভারচুয়াল শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়া হই । ডলফিন হত্যা আর ডলফিন এর মৃত্যু র জন্য বন বিভাগের উদাশিনতা  কেই দায়ি করা হই।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালইয়ের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ি বলা হইছে যে ,২০১৮-২০১৯ সালে হালদা নদীর ডলফিন সংখা ছিলো ১৭০ টি  ডলফিনের অস্তিত্ত ছিলো । প্রাই ১ বছর এ  প্রাই ২৪ টি ডলফিন এর প্রান গেছে । গত সপ্তহে একটি ডলফিন আ পিটিয়ে মারা হয় । আরাকটি মারা যায় নৌকার আঘাত এ ।বিষয় টি গনমাধ্যমে ছোরিয়ে গেলে  হাইকোর্ট এর হস্তক্ষেপ চাওয়া হয় ।
এতে করে বাংলাদেশ আর ইতিহাস এর প্রথম বার ভারচুয়াল শুনানি দেয়া হয়।এতে এই প্রানি টি রক্ষার আদেশ দেয়া হয় । এতে করে বন বিভাগ কে ৭২ ঘন্টার ভিতর এ আ হাইকোর্টকে আবহিত করতে হবে এবং তাদের উল্লেখ করতে হবে যে তারা কি করে এই প্রানি কে রক্ষা করবে।

বন বিভাগের কড়া সমআলোচনা করে জনসতেচনা বাড়ানোর কথা বলা হয়ে সে ।
এই ডলফিন এর চামড়ার নিচে থাকে চর্বি যা তাদের পানি তে বাচিয়ে রাখতে পারে  ।
এবং এই চর্বির থেকে অনেক ঔষধ তৈরি হয় ।
আর এই গাঙ  জাতীয় ডলফিন শুধু মাত্র বাংলাদেশ , ভারত,নেপাল এ এই জাতীয় প্রানি পাওয়া যাই।

পাদ্মা নদী ,হালদা নদী আর কর্ণফুলি নদীই হল এই প্রানি টির বিচরন ক্ষেত্র।

Post a Comment

Previous Post Next Post