লালকেল্লা নির্মাতা শাহজাহান তার শেষ দিনটি কাটিয়ে ছিলেন গৃহবন্দি হয়ে তার ছেলে উলঙ্গ যে তাকে বন্দী করে রেখেছিলেন এই ক্যান্সার এমনকি মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ রাজা দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এই বন্দী ছিলেন ব্রিটিশদের হাতে আগ্রা থেকে লালকেল্লায় চলে আসার পর থেকেই মোগল সাম্রাজ্যের কেন লাল কেল্লা আজব শব্দ 100 বছর আগে কেমন ছিল লাল কেল্লার ব্যাপারে আপনাদের কিছু রহস্যজনক তথ্য দেব । লালকেল্লা আসলে সাদা হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনেছেন শাহজাহান লালকেল্লা যখন তৈরি করেছিলেন তখন একটি সম্পূর্ণ সাদা পাথরের তৈরি ছিল যাতে স্বর্গের মত লাগত কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সাদা পাথর গুলো লালচে হয়ে যায় তাই পরবর্তীকালে বৃটিশ সরকারকে টিকে লাল রং করে দেয় এবং তারপর থেকেই এটি লালকেল্লা নামে পরিচিত হয়। শাহজাহান জহরলাল নির্মাণ করেন তখন এটির নাম লালকেল্লা ছিলনা এর নাম ছিল যার অর্থ আশীর্বাদের গান আর প্রচন্ড গরম সহ্য করতে পারতেন না সৌখিন সম্রাট শাহজাহান তাই তিনি তার রাজধানী আগ্রা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তর করেন 639 নির্মাণের কাজ শুরু হয় প্রায় 200 একর জমিতে গড়ে তোলা হয় লালকেল্লা তখনকার দিনে আধুনিক প্রযুক্তি না থাকায় এ কেল্লা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় দশ বছর সময় লাগে এবং এই কাজ করেছিলেন মোগল সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা এবং মোস্তাক আহমেদ যাদের নিখুঁত কারিগরি দর্শন আজো আমাদের মন জয় করে নিয়েছে।



 বিশাল মোগল সাম্রাজ্যের সম্রাট শাহজাহানের বাসস্থান সুরক্ষিত এবং শত্রুপক্ষের হাত থেকে বাঁচাতে দেয়াল ছিল আকাশছোঁয়া পুজো এবং এটি সম্পূর্ণ হবে তাদেরকে বলে লাল কেল্লার ভিতরে একটি গুপ্ত সুড়ঙ্গ আছে যার সোজা চলে গেছে তাজমহলের ভিতরে সম্রাট শাহজাহান তার শেষ জীবনে বেশ কয়েকবার এগিয়ে তাজমহল মমতাজের সমাধির পাশে সময় কাটিয়েছেন পরবর্তীকালে ছেলে ওরঙ্গজেব তাকে গৃহবন্দি করে রাখলেই লালকেল্লার যে ঘর থেকে তাজমহল দেখা যায় সেই ঘরে তাকে রাখার অনুরোধ করেন কিন্তু ক্ষমতার লোভে অনুরোধ খারিজ করে দেয়। আপনি জানলে অবাক হবেন পৃথিবীর সবচেয়ে দামি হীরা লালকেল্লার একটি অংশ।



 শাসনকালে সম্পত্তি বানান সোনার তৈরি ময়ূর সিংহাসনের চূড়ায় ব্যবহার করতেন সম্রাট পরবর্তীকালে দুর্ধর্ষ লুটপাটকারী ছিনিয়ে নেয় মুখ থেকে সেখান থেকে হাত বদল হয়ে কোহিনূর হীরে পৌঁছায় ব্রিটিশদের কাছে বর্তমানে রানী এলিজাবেথের রাজমুকুটের ব্যবহার করা হয় লালকেল্লার কারুকার্য আনার জন্য আজও আমাদের মন জয় করে শাহজাহান তার একান্ত আমোদ-প্রমোদের জন্য এর ভেতরে একটি লং নির্মাণ করেছিলেন এই রং মহলে শুধুমাত্র তারা নিরাশ করতে পারতেন মাঝেমধ্যে এখানে নাচ-গানের আসর বসতো পরবর্তীকালে সমস্ত নর্তকীদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয় মোগল সাম্রাজ্যে ভারতবর্ষে বিশাল বর্তমানকালে বাংলাদেশ পাকিস্তান ছিল ভারতবর্ষের বিভিন্ন অংশ ছিল পাকিস্তানের দিকে তাই এর নাম বিশাল আকৃতির তৈরি আমরা যেসব বাস্তবতা বেশিরভাগই আকৃতির হয় কিন্তু এই লালকেল্লা সম্পূর্ণভাবে তৈরি একটি অপূর্ব নিদর্শন 2007 সালে এটিকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষিত করা হয় ওরঙ্গজেব এর হাতে বন্দি থাকা অবস্থায় শাহজাহানের লালকেল্লা থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ধরা পড়ে যান শয়তান ওরঙ্গজেব এর হাতে এরপর আরো কঠোর নজরদারি রাখা হয় তার ওপর লালকেল্লা বানিয়েছিলেন শত্রুপক্ষের হাত থেকে বাঁচতে সেই লালকেল্লা থেকে পড়ে আছেন নিজের হাতে শেষ মুহূর্ত খুবই কষ্টে কাটিয়েছিলেন শাজাহান মালিক হয়েও দিন কাটাতে হয়েছিল গৃহবন্দি রাখার জন্য ছটফট করতে চান কিন্তু উপায় ছিল না মেয়ে জাহানারা লুকিয়ে লুকিয়ে তাকে নিয়ে যেতেন দূর থেকে তাজমহল দেখাতে ধনসম্পত্তি অনেকে নিজের সন্তানদের সঠিক শিক্ষা দিতে পারেননি শাহজাহান তার মৃত্যুর প্রায় একশ থেকে দেড়শ বছর পর লালকেল্লা ব্রিটিশ সরকারের হাতে চলে যায় মাস যায় তারা সমস্ত দামি দামি আসবাব পত্র এরা বিদেশে পাঠিয়ে দেয় তারা শাসন ব্যবস্থার প্রধান প্রাসাদ বানায় লাল কেল্লা কে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয় প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক এখানে ঘুরতে আসেন প্রতিবছর 15 ই আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এখান থেকে পতাকা উত্তোলন করেন আপনি কি কখনো লালকেল্লা ঘুরতে গেছেন আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান ।।

Post a Comment

Previous Post Next Post