হ্যালো বন্ধুরা আমাদের পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছে যারা বডি বিল্ডার হতে চায় বিভিন্ন মুভিতে হিরোদের দেখে বেশিরভাগই নারী বডিবিল্ডার হওয়ার জন্য মোটিভেট হয়ে থাকে আপনি হয়তো আজ পর্যন্ত অসংখ্য প্রফেশনাল বডিবিল্ডার কে দেখেছেন কিন্তু মায়াজালের আজকের এপিসোড আমরা আপনাদেরকে দেখাতে চলেছি পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু প্যাক বডি বিল্ডারদের কে এবং তাদের বডিবিল্ডার হয়ে ওঠা সেসব গল্প যা জানলে আপনার হতভম্ব হয়ে যাবেন স্বাগতম আপনাকে ।

রোমারিও আলভেজ বন্ধুরা ব্রাজিলের রোমারিও যখন জিমে ভর্তি হয় তখন সে চেয়েছিল জিম করে শরীরের ফিটনেস ধরে রাখতে কিন্তু সে কখনো ভাবতেও পারিনি যে তার লাইফে এমনটা হবে 6 মাস জিম করার পরে তার শরীর সম্পূর্ণরূপে বদলে যায় যখন জিম করতে শুরু করে তখন বড় বড় বডিবিল্ডার দেখে দেখে উৎসাহিত হয়ে যেত হঠাৎ একদিন একজন বডিবিল্ডার পরামর্শ দেয় এমন একটি সফটওয়্যার এবং পেইনকিলার দিয়ে তৈরি করা হয় এই সাবজেক্ট করা হয় তখন হেল্পারের সাথে মিশে গিয়ে মাংসপেশি বৃদ্ধি দ্রুত বাড়িয়ে দেয় এটি খুবই ড্যাঞ্জারাস কখনো কখনো এটি প্রয়োগ হয়ে যেতে পারে এই প্রথম যখন তার শরীরে সাবজেক্ট করে তখন প্রথম দিকে সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল কিন্তু কিছুদিন পরে তার মাংসপেশি পাথরের মত শক্ত হয়ে যেতে শুরু করে যদিও ডাক্তার পরবর্তীতে তার শরীরে থাকা অতিরিক্ত চাপ টাইম বের করে নেয় কিন্তু তার শরীর থেকে যায় ।

পৃথিবীর বেশিরভাগ বডিবিল্ডার এমবি থাকে না তাদের বটে কিন্তু করার জন্য নানা রকম ভাবে চেষ্টা করে থাকে এবং এর জন্য তাদেরকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয় কিন্তু বন্ধুরা একজন পুরুষ যদি শেখ রাসেল বানিয়ে সবাইকে ইমপ্রেস করে দেয় তাহলে কেমন হবে এই ব্যক্তির বয়স 50 এর চাইতেও অনেক বেশি আপনাদের মনে হতে পারে এই ব্যক্তির দিনরাত পরিশ্রম করার ফলে তার শরীরের গঠন এমনটা হয়ে গিয়েছে না বন্ধুরা এই ব্যক্তি ও তার শরীরে প্রচুর পরিমাণ প্রয়োগ করেছিল তার শরীরের ক্ষতি করতে পারে জেনেও সেটা তার শরীরে প্রয়োগ করেছিল এবং মুভিতে দেখা বেশকিছু বডিবিল্ডার কে দেখে ইন্সপায়ার শরীরের গঠন করেছে এই ব্যক্তিকে যখন কেমন স্টাইল করে আর এই ব্যক্তি তার বিভিন্ন এবং ভিডিও চিত্র বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে সবসময় পোস্ট করে থাকে সে এখনো তার শরীরে প্রয়োগ করেই যাচ্ছে।

প্রথম দেখবে তার মনে হবে থেকেই ব্যক্তিমানুষ না এটা হয়তো বা কোন দলই এই ব্যক্তিকে দেখে যে কেউ কনফিউশনে পড়ে যাবে যে মেয়ে নাকি ছেলে হ্যাঁ বন্ধুরা এই ব্যক্তি একজন ছেলে সে তার চেহারা এবং পুরো শরীরে প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে আমাদের পরিবর্তন করে ফেলেছে বন্ধুরা অবাক করা তথ্য হলো আজ পর্যন্ত তার পুরো শরীরে নানা রকম ভাবে বিভিন্ন সময় প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন আমেরিকান নাগরিকের বয়স 39 বছর বন্ধুরা একবার কল্পনা করুন এই ব্যক্তি তার প্লাস্টিক সার্জারি করতে কত টাকা নিয়েছে কারণ একবার একটি নরমাল প্লাস্টিক সার্জারি করাতে আট থেকে নয় লক্ষ টাকার প্রয়োজন পড়ে তাহলে কল্পনা করুন সে কত টাকা প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে ফুরিয়েছে ।

আলিন্দ ডিসৌজা আরলিন ব্রাজিলের একটি শহরে বাস করে এবং তার বয়স 48 বছর এই ব্যক্তি তার লাইফের দীর্ঘ সময় ধরে জিম করে আসছে এবং এ ব্যক্তির অবস্থান করেছে অনেক ওয়াকআউট করেছে এবং এক্সিমো করেছে কিন্তু তারপরও তার শরীরের তেমন কোনো উন্নতি হয়নি সে কোন উপায় না দেখে শেষমেষ ইঞ্জেক্ট করার সিদ্ধান্ত নেয় যদিও এটা ছিল খুবই বেদনাদায়ক কিন্তু প্রথম ইনজেকশন নেওয়ার পরই তার শরীর খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে আর সে নেশাগ্রস্থের মত লাগাতারভাবে তার শরীরে ইনজেকশন প্রয়োগ করে চলেছে একজন বন্ধুও ছিল সেও তার সাথে ইঞ্জেকশন নিয়েছিল কিন্তু এটা সহ্য করতে পারেনি আর তার বন্ধু এ কারণে মারা গিয়েছিল বন্ধুরা এই ব্যক্তি একজন সেলিব্রেটি আর সে তার ফ্রেন্দের সাথে খুব ইনজয় করে একাধারে একজন বক্সার ।
জ্বর কি খাওয়া কি এই ব্যক্তি একাধারে মেক্সিকোর একজন বক্সার বিজনেসম্যান এবং পলিটিশিয়ান এর বিপরীতে বাচ্চারা ভয় পায় কিন্তু এই ব্যক্তির পরিচয় পুরোপুরিভাবে মত এবং প্রয়োগ করেছিল আর তাই কয়েকবার এই ব্যক্তিকে তার চেহারা প্লাস্টিক সার্জারি করতে হয় সত্যি বলতে এই ব্যক্তির পরিচয় সম্পূর্ণভাবে এবং মিডিয়ার তথ্য অনুসারে এই ব্যক্তির বক্সিং ম্যাচ বিভিন্নভাবে থাকে একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন আট বছর বয়স থেকে শুরু করে কিন্তু তার বক্সিং বক্সিং বক্সিং ম্যাচ খেলেছে এবং হয়েছে বন্ধুরা একজন সুপারম্যান 


1 Comments

Post a Comment

Previous Post Next Post