আপনি নিজেই ডিসাইড করবে যে এদের মধ্যে কোন থিওরিটা আপনার সবথেকে বেশি এক্সেপ্টেবল বলে মনে হয় তো চলুন শুরু করা যাক যদি আমি আপনাদেরকে বলি যে এই পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে সুন্দর জায়গা কোনটা তাহলে আপনার মাথার মধ্যে জম্মু-কাশ্মীর কে বা সুইজারল্যান্ড অথবা অন্যকোন সুন্দর জায়গা কোথায় মাথায় আসবে কিন্তু যদি আমি আপনাদের বলি যে পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে রহস্যময় জায়গা কোনটা? তাহলে আপনি কি জানেন এর উত্তরটা কি হবে উত্তর হল আজ থেকে প্রায় 4000 বছর আগেই চিত্তের মানুষরা পৃথিবীতে রাজত্ব চালাবে সমস্ত মানুষরা নিজেদের সময় দেই ওখানে অনেক সুন্দর সুন্দর ভাস্কর্যের পরিচয় দিয়েছিল অনেক সুন্দর সুন্দর কলাকৃতি যুক্ত জিনিসটা বানিয়েছিল তবে এই সমস্ত গোলাকৃতির সঙ্গে তারা কিছু কিছু রহস্য আমাদের জন্য ছেড়ে গেছে যেমন এলিয়েনদের সত্যতা এলাইনমেন্ট আকাশে তারাদের সঙ্গে হওয়া অথবা বিভাগের মধ্যে থাকা একটা নিয়েছি যেটা ভেতরে টেম্পারেচার সবসময় কুড়ি ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড রাখতে পারে এসব জিনিস গুলো আজও রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে সব থেকে বড় এবং কমন প্রশ্ন হল এই সময় তারা এই বড় বড় পিরামিড গুলোকে আসলে কীভাবেই বা বানিয়েছিল আর এরকম ধরনের রহস্যময় স্ট্রাকচার এর মধ্যে শুধুমাত্র এখানে অনেক সময় স্ট্রাকচার আছে যেগুলো সত্যিই এত সময় যাদের সম্পর্কে আপনি জানবেন রহস্যের অন্ধকারে হারিয়ে যাবেন স্ট্রাকচার প্রকৃতি তখনকার মানুষেরা একা একাই নিজেরাই বানিয়েছিল আরো অন্য কিছু ভাবছিলাম এটা আমাদের পৃথিবীর কাছে একটা মাস্টারপিস আর এটা পৃথিবীর সবথেকে ফেমাস জায়গাগুলোর মধ্যে একটা ইনস্টিটিউট থেকে চলছে আমাদের কাছে যত টেকনোলজি আছে সবার সাহায্যে আমরা একটু বোঝার চেষ্টা করে যাচ্ছি কিন্তু সত্যি কথা বলতে আজও পর্যন্ত ইনস্টিটিউশন করতে পারেনি এরা পাথরের একটা একটা পিস কে একসঙ্গে কি ভাবে এসেছিল আর এরা কি ধরনের কংক্রিটের ব্যবহার করেছিল আর ওয়েটিং ব্যাপার হলো এরা এত পারফেক্টলি কিভাবে কোন অ্যাডভান্স টেকনোলজি কিমা মেশিন ব্যবহার না করে এরকম ধরনের স্ট্রাকচার বানানোর সাইন্টিফিক নেম ফর বিভাস শুধু একটা পিরামিডের মধ্যেই প্রায় 30 লাখ লাইমস্টোনের ব্লক ইউজ করা হয়েছিল এই পাথরের ব্লগগুলোকে একাকী এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নির্যাতনের শিকার একেবারে পারফেক্ট বানানোর দূরের কথা কিন্তু সেই সময় তারা এটা করেছে এদের ওজন 57 কেজি প্রায় 70 হাজার কেজি পর্যন্ত আছে বর্তমানে আধুনিক যুগের মর্ডান ট্রেনগুলোকে বাড়ি তৈরি করার জন্য কি করা হয় সাধারণত ম্যাক্সিমাম কুড়ি হাজার কেজি পর্যন্ত জাগাতে পারে তাহলে ভাবুন আজকের দিনে বাড়ি তৈরি করার সময় খুশি হাজার কেজি ওজনের জিনিসকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে এত সমস্যা হয় তাহলে তারা আজ থেকে চার হাজার বছর আগে ওই কাজটা কিভাবে করেছিল 4 হাজার বছর আগে তারা 70 হাজার কেজি ওজনের পাথর গুলো কিভাবে ট্রান্সপোর্ট করেছিল কোন এডভান্স মেশিন কেনা ব্যবহার করে তবে এর একটা উত্তর আছে কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি যে আপনাদের মধ্যে 90 শতাংশ মানুষ আমার এই কথাটা কোন ভাবে বিশ্বাস করবে না আর সেটা হল এর সঙ্গে জড়িত একটা থিওরি আছে ওরা আত্মীয় বলা হয় যদি আপনি রাত্রেবেলা পিরামিডকে দেখেন তাহলে আপনি দেখতে পাবেন যে সেটা আকাশের একটা কনস্টিপেশন আকাশের একটা নক্ষত্রের সঙ্গে লাইন করে মহাকাশ স্টেশনের নাম হল অধিকার আছে যাদের নাম হল অ্যালবাম আর মানিক করাই এদের পজিশন এবং এলাইনমেন্ট একেবারে ওর মতো এই জিনিসটাকে দেখার পর অনেক এটা মনে করে যে সেই সময় কোন এলিয়েন পৃথিবীতে এসেছিল নিজেদের সঙ্গে কোন মানুষ টেকনোলজি নিয়েছিল এবং এদের শাহবাগে তখনকার মানুষেরা বানিয়েছিল এলিয়েন কোন সৌর জগত থেকে এসেছিল তবে আমরা জানি না যে সত্যি মানুষ মানুষ নাকি এলিয়েন আর বানিয়েছিল তবে একটা জিনিস যেটা আমরা সত্যি সত্যি জানি যে পিরামিড এবং মহাকাশের নক্ষত্রদের মধ্যে কোন না কোন কানেকশন তো নিশ্চয়ই আছে যেটা বলে থাকে যেটা আমি এক্ষুনি আপনাদের বললাম যে বইগুলোর মধ্যে কোন সৌরমন্ডলে বসবাস করতেন তখনকার মানুষেরা তাদের সঙ্গে নিজেদের কানেকশন কে বোঝানোর জন্য বাণী এজন্য তো পিরামিডের সঙ্গে নক্ষত্রের হেরাফেরি প্যারামেডিকেল ভর্তি ঈদের মধ্যে থাকার কোন মানে সূর্যগ্রহণ এর সব থেকে বড় রহস্য পিরামিডের বিভিন্ন জায়গায় নানা ধরনের তৈরি করা আছে প্রথম দিকে তো মানুষ নিজেদের কমনসেন্স কে ইউজ করে এটা ভাবছো যে হয়তো এটা ভেন্টিলেশনে জন্য তৈরি করা হয়েছিল যাতে ভিতর হাওয়া বাতাস খেতে পারে কিন্তু পরে এই তথ্যটা এসএমএস করে দেওয়া হয় যখন একটা রোবট এর ভিতরে পাঠানো হয়েছিল তখন নিজে ক্যামেরার সাহায্যে এটা আসলে তো ভেতর থেকে বন্ধ করা আছে আর প্রত্যেকটা টানেলের শেষ প্রান্তে একটা বন্ধু দরকার মতো কিছু একটা আছে তাহলে এগুলো কিভাবে ভেন্টিলেশনে জন্য কাজ করবে মনে থাকে যদি আমরা প্রত্যেকটা চেম্বার গুলোকে দেখি তাহলে আমরা দেখবো যে এর মধ্যে টোটাল ডিসকভার চেম্বার আছে সবার নিচে আছে আরেকটা হলো উপরে আছি যদি আপনি উপরের এই রাস্তা দিয়ে এন্টার করেন তাহলে আপনি ভেতর থেকে একটা চেম্বারটি এক্সপ্লোরড করতে পারবেন আর নিচের এই রাস্তাটা দিয়ে যদি আপনি অর্ডার করেন তাহলে আপনি ওই তিনটে চেম্বারকে অ্যাক্সেস করতে পারবেন কিন্তু প্যাকেট আছে আজ পর্যন্ত কেউ এই পিকটা চেম্বার কিভাবে এক্সপোর্ট করতে পারেনি ভালো করে খেয়াল করে দেখুন আমি কি বলেছি আমি বলেছি ডিসকভার চেম্বার এর ভেতরে আরো যে কত চেম্বার আছে এটা কেউ জানে না আর মনে এটাও করা হয় যে চ্যানেলগুলো কে এই জন্য বানানো হয়েছিল তার সময় মানুষের মন তো মানে রাজার বডিকে যদি এর মধ্যে রাখা হয় তাহলে তার আত্মা আকাশের তারাদের দিকে যাবে একে পিরামিডের থিওরিও বলা হয়ে থাকে ডিসেম্বরের মধ্যে রিমোট কন্ট্রোল ক্যামেরাকে পাঠানো হয় তখন এইটা দেখতে পাওয়া যায় একটা বন্ধু উপরের দিকে দুটো মেটালের পিন লাগানো আছে দেখে মনে হয় এটা এমনভাবে বানানো হয়েছে যেন তারা চাইতো চেপে ধরেছে কেউ না যেতে পারে আর এর ডিসকভার এর পরে এরকম অনেক সামনে আসে এর মধ্যে আরও একটা ডিসকভার চেম্বার আছে তারপর যখন একটা নতুন অ্যাডভান্স টুলের সাহায্যে এই বন্ধুটাকে ড্রিল করে এর মধ্যে একটা ছোট ক্যামেরা কে পাঠানো হয় তখন ওই ক্যামেরাটা এই ছবিটা দলের পরে ওই ক্যামেরাটা আরো ভেতরে যাওয়ার আগে কোন এক রহস্যময় কারণে জন্য ক্যামেরাটা খারাপ হয়ে যায় এবং তাদের এক্সপ্লোরেশন অসম্পূর্ণ থেকে যায় আর এই ঘটনার পর ওখানকার গভারমেন্ট পিরামিডের মধ্যে এক্সপ্লোরেশন করার জন্য আর কাউকে অনুমতি দেয় না।

Post a Comment

Previous Post Next Post